Flickr

Sunday, 6 December 2015

Help save voices of Bangladeshi freethinkers

Help save voices of Bangladeshi freethinkers

Widow of slain blogger Avijit urges int'l community
Diplomatic Correspondent

Rafida Ahmed Bonya, the widow of slain writer-blogger Avijit Roy, has urged the international community to come forward to help save the voices of Bangladeshi freethinkers and maintain a healthy secular society.
"These brave Bangladeshi journalists, writers, bloggers, and publishers love their country and want to make a difference in their own homeland," Bonya said at a Congressional briefing in Washington on “Shrinking Space for Civil Society and Human Rights in Bangladesh” on Tuesday.
They are out, along with general people, on the streets to protest these murders, the impunity, and the inaction of the Bangladeshi government, she said.
Bonya said the extent of impunity is so great today that Islamist terrorists are attacking secular bloggers, writers and even publishers in broad daylight, in front of thousands of people or even inside houses or offices.
These terrorists killed five secular bloggers, writers, and a publisher this year and wounded many others. “We have been continuing our work, knowing the constant threats.”
She mentioned that her husband Avijit, a Bangladesh-born US citizen, and she were hacked in the middle of a crowded street on February 26.
The couple came under attack on the Dhaka University campus while returning from Ekushey Book Fair. Avijit was killed and Bonya badly injured in the machete attack.
Narrating the five gruesome murders of secular writers and a publisher this year, Bonya said, “The situation is dire. These bloody days are becoming a norm, and hacking people with voices is becoming a monthly chore for Islamic terrorists. Because these killers were never brought to justice, now they are attacking the foreign workers and even other Muslims from a different sect. We have seen attacks on Shia festival and in a Shia mosque in recent days.”
The Bangladesh government was completely silent after the first three murders of secular bloggers. "And then, when they were forced to say something after the fourth murder, they instead told us to be careful about what we write."
None of the actual killers have been captured or tried yet, she said.
When some of these bloggers went to police to notify about the threats, law enforcers decided to remain silent and inactive. In some cases, they even encouraged the bloggers to leave the country, Bonya noted.
“Our government said that they were walking a fine line because of the electoral politics, and that they cannot risk their alliance with the religious groups by supporting secular writers of the country. They are refusing to accept the existence of rising Islamic terrorism in the country because of political reasons.”
The Bangladesh government needs to understand that they cannot stop these terrorists unless they openly condemn their acts and take steps to bring them to justice, she said.
"They cannot claim to be a secular government or a secular political party unless they protect freedom of expression for every citizen. We are seeing the classic dilemma between freedom of religion and the liberty to freedom of expression. You will not be able to protect the religious rights of your citizens in a secular country unless you protect the freedom of expression regardless of religion or no religion."
Bonya pointed out that the war criminals, who have been tried in Bangladesh, should not be considered as “opposition leaders.”
"They are war criminals with proven and well-documented records of mass murders and tortures during our Liberation War in 1971. We strongly believe that Bangladesh has come to this stage partly because these religious fanatics and the war criminals were allowed to be rehabilitated in Bangladesh decades after the new nation state was formed."
The Congressional briefing was arranged by Tom Lantos Human Rights Commission, a bipartisan caucus of the US Congress, which promotes, defends and advocates internationally recognised human rights norms in a non-partisan manner.
In his opening remark, Congressman James P McGovern, co-chair of the Lantos Commission, said that in the power struggle between the major political parties -- the Awami League and the BNP -- civil society often gets caught in the crossfire.
"There have been reports of extra-judicial killings and enforced disappearances.  With the news that transnational terror networks -- including Al Qaeda and ISIS -- are present in Bangladesh, the challenges to stability and democracy are likely to intensify."
Michael De Dora, director of public policy and main representative to the United Nations Center for Inquiry, said, “If the human rights situation in Bangladesh worsens -- if terror groups such as Ansarullah Bangla Team and al Qaeda and ISIS are allowed to roam more freely in, and take more control over the country -- the global community will soon have a much bigger problem on our hands than a series of gruesome attacks in Bangladesh.
“And still, these attacks are but one element of Bangladesh's broader deteriorating human rights situation, which has undermined civil and political rights,” added Dora.
The briefing was also addressed by Karin Karlekar, director of Free Expression Programs at PEN American Center; Sahar Chaudhry, senior policy analyst of US Commission on International Religious Freedom and Bharath Gopalaswamy, director for South Asia Center of Atlantic Council.

Sunday, 8 November 2015

রক্ত মাড়িয়ে লাল গালিচায় ১

রক্ত মাড়িয়ে লাল গালিচায়

আমাদের সমাজে একটা কথা প্রচলিত আছে, যারা জেগে জেগে ঘুমায়, তাদের কখনো জাগানো যায় না। আমাদের মন্ত্রী, এমপি, রাজনৈতিক নেতারা সত্যিই জেগে জেগে ঘুমাচ্ছেন। দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা কিংবা সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে তাদের ডোন্ট কেয়ার ভাব। যেন এটিই স্বাভাবিক। একসময় একটা খুন হলে, সেই খুন নিয়ে বছরের পর বছর লেখা লেখি হতো। আইন আদালতের আঙ্গিনায় জবাবদিহিতা হত।

Sunday, 1 November 2015

বিচার চাই না

বিচার চাই না
-সৈয়দ জাহেদ হোসেন

দে দেখ স্বদেশ,তোমার আঙ্গিনা দেখ, আবারো রক্তময়,   
নয় নয় নয়,অশ্রু বা আবেগে,আর কোন সমাধান নয়। 
বিচারকের চেহারায় ভণ্ড ঈশ্বর, চারিদিকে শুধু অবিচার,
বিচার চাই না,বিচার চাই না, চাইব না কভু আর ।
এক হও বাঙ্গালী, এক হও আবার, একাত্তরের মতো,
ধ্বংস কর, ফ্যাসিবাদের স্নায়ুতে,প্রতিবন্ধি বিবেক যত। 

Opinion: Remedy begins from admitting problem; not denying it

 
Law enforcers are seen at the book shop of Jagriti Prokashani in Aziz Cooperative Super Market in Shahbgah, Dhaka following the murder of its owner Faisal Arefin Dipan
Sharier Khan
Yesterday the nation helplessly saw the killing of a free-thinking publisher and critical injury of another, plus injury of two other bloggers in the city. Both were publishers of books of slain secularist writer-blogger Avijit Roy.

‘বিচারের আশা দুরাশা মাত্র’

‘বিচারের আশা দুরাশা মাত্র’



প্রকাশক ফয়সাল হত্যা ও লেখক, প্রকাশককে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, লেখক, প্রকাশক ও বিভিন্ন শ্রেণি, পেশার মানুষ। ছবি: মনিরুল আলম

লেখক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেছেন, গত কয়েক বছরে যেসব গুপ্ত হত্যা হয়েছে, সেগুলোর একটিরও বিচার হয়নি। যে কারণে প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপনের বাবা ছেলে হত্যার বিচার চান না। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার আশা করা দুরাশা মাত্র।

স্যার, আপনাকে স্যালুট


স্যার, আপনাকে স্যালুট


পৃথিবীতে সবচেয়ে ভারী পিতার কাঁধে সন্তানের লাশ। সে লাশ কাঁধে নিয়ে স্যার আপনি যা বললেন তা অবিশ্বাস্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের ছেলে জাগৃতি প্রকাশনীর মালিক ফয়সাল আরেফিন দীপনকে দৃর্বৃত্তরা হত্যা করে শনিবার। সন্তানের লাশ দেখার পর প্রবীণ এই অধ্যাপক বলেন, আমি কোনো বিচার চাই না। আমি চাই শুভবুদ্ধির উদয় হোক। যাঁরা ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ নিয়ে রাজনীতি করছেন, যাঁরা রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছেন উভয় পক্ষ দেশের সর্বনাশ করছেন। উভয় পক্ষের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক। এটুকুই আমার কামনা। জেল-ফাঁসি দিয়ে কী হবে।

তাঁকে কি বলব?

তাঁকে কি বলব, কোন ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। তাঁর কথাতে শুধু এই টুকু বুঝা যায়, এইগুলো বাংলাদেশে ঘটবে, তাঁর করার কিছু নাই। তাঁর এই মন্তব্যে মৌলবাদীরা অনুপ্রাণিত হবে, সাহস পাবে। এই দেশে তাদের (মন্ত্রিদের) কাজ শুধু বিএনপি কে কথায় কথায় পাকিস্থান পাঠানো, জোর করে জঙ্গি, আইএস বানানো। তাদের আর কোন কাজ নেই। দীপন ভাই এর বাবা কোন বিচার চাননি। সত্যি তো, বিচার চেয়ে লাভ কি? বিচার হলেই তো বিচার চাওয়া যায়। এই ঘটনা সব দেশেই ঘটে। যে দেশে এই মন্ত্রীগুলোর ছেলে মেয়েরা লিখা পড়া করে, সেই সব দেশে কি এই গুলো ঘটে। যে দেশে জয় থাকে, তারেক থাকে, সেই সব দেশে কি এইভাবে লেখকদের মারা হয়? কে এই উত্তর দিবে? মন্ত্রীর বিবেক নাকি দেশের বিবেক?  সব দেশেই এ রকম বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Saturday, 31 October 2015

তোমরা জেগে আছো

তোমরা জেগে আছো

(মৌলবাদীর পৈশাচিক থাবায় অপরাজিত লেখকদের স্মৃতিতে উৎসর্গ)

তোমরা আড়াল করনি কখনো
তোমাদের প্রেম তোমাদের পাপ,
অসমতল প্রাণীগুলোকে চিনিয়েছ,
পৃথিবীর গাঁয়ে অন্ধকারের অভিশাপ।

তোমরা কথা বললেই, লিখলেই
লন্ড ভণ্ড মূর্খ দেবতার আসর,
তোমাদের ক্ষুরধার যুক্তিতে আজ,  
ধ্বংসের মুখোমুখি ঈশ্বরের বাসর।

পাঁচ ব্লগারের পর এবার প্রকাশক, শেষ কোথায়?

পাঁচ ব্লগারের পর এবার প্রকাশক, শেষ কোথায়?

তানভীর সোহেল 

একের পর এক ব্লগার খুন হচ্ছেন, হচ্ছেন হামলার শিকারও। হামলায় চলতি বছর মারা গেছেন চারজন। সব মিলিয়ে ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হয়েছে ৫ জন ব্লগারের নাম। এবার হামলার শিকার হলেন নিহত এক ব্লগারের বইয়ের প্রকাশকেরা।
৫ জন ব্লগার নিহত হয়েছেন। আজকের হামলায় একজন প্রকাশক নিহত হয়েছে। কিন্তু একের পর এক হামলা, বিচারহীনতার কারণে এই যোগফল ৬ হয়েই শেষ হবে বলে মনে করার কারণ নেই। প্রশ্ন হচ্ছে ৫‍+১ এর সঙ্গে আর কতবার যোগ করতে হবে?

এই হত্যা কাপুরুষের কাজ

বাংলাদেশে একের পর এক মুক্তমনের মানুষদের হত্যা প্রমাণ করে যে সরকার অতীতের ঘটনা গুলোয় জড়িত দাবী করে যাদের গ্রেফতার করেছে তারা হয় ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত নয়, অথবা একবারেই তৃণমূল পর্যায়ের অপরাধী। মূল হোতারা বারবারই পর্দার পেছনে থেকে ঠিকই তাদের অপরাধী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সরকার আন্তরিক হলে এদের কেউ না কেউ এতদিনে ধরা পড়তো।

কার্যালয়ে ঢুকে জাগৃতি প্রকাশনীর মালিককে কুপিয়ে হত্যা

কার্যালয়ে ঢুকে জাগৃতি প্রকাশনীর মালিককে কুপিয়ে হত্যা


ফয়সাল আরেফিন দীপন
জাগৃতি প্রকাশনীর মালিক ফয়সাল আরেফিন দীপনকে আজ শনিবার কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রাজধানীর শাহবাগে আজিজ সুপার মার্কেটে তাঁর কার্যালয়ে ঢুকে দুর্বৃত্তরা তাঁকে কুপিয়ে রেখে দরজা বন্ধ করে চলে যায়।

Avijit’s publisher, 2 bloggers stabbed in Dhaka

Ahmedur Rashid Tutul, publisher of Shuddhwashawr, and bloggers Ranadipam Basu and Tareque Rahim are receiving treatments at Dhaka Medical College Hospital. Unknown assailants stabbed them in Dhaka’s Lalmatia area Saturday afternoon. Photo: Palash Khan

দুর্বৃত্তের হামলায় শুদ্ধস্বরের প্রকাশকসহ আহত ৩

দুর্বৃত্তের হামলায় শুদ্ধস্বরের প্রকাশকসহ আহত ৩

শুদ্ধস্বর-এর কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের অপেক্ষা। ভেতরে চলছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর আলামত সংগ্রহের কাজ। ছবিটি আজ শনিবার বিকেলে তোলা। ছবি: হাসান রাজা
বইয়ের প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান শুদ্ধস্বরের কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে শুদ্ধস্বরের প্রকাশক আহমেদুর রশীদ টুটুলসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তাঁরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আহত অন্য দুজন হলেন তারেক রহিম ও রন​দীপম বসু।
ঢাকা মেডিকেল সংবাদদাতা জানান, আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর লালমাটিয়ায় সি ব্লকে পাঁচতলা একটি ভবনের চারতলায় শুদ্ধস্বরের কার্যালয়ে কয়েকজন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্রের হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের কোপে গুরুতর আহত হন ওই তিনজন। এতে তাঁদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। পরে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, দুপুর আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে এ হামলার ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ খবর পেয়ে ওই কার্যালয়ের তালা ভেঙে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
ঢাকা মেডিকেল থেকে মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল মামুন বলেন, ‘আহত অবস্থায় আমি দুজনকে নিয়ে এসেছি। তাদের হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাত আছে।’

Friday, 30 October 2015

হি হি

শীতের মাঝ রাতে হোটেলে রুটি-মাংস খেতে খেতেভদ্রলোক : বাহ! এই শীতের রাতেও দেখছি তোমাদের রুটি বেশ গরম।
হোটেল বয়: হবে না স্যার! বিড়ালটা তো এতক্ষণ রুটির ওপরেই বসা ছিল।

মাজার আসলে কি? ২

এই লিখাটিতে ইন্টারনেট থেকে বিভিন্ন উপাত্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

বিভিন্ন বাংলা মাসে ( হিজরি নয়) তাদের বিশেষ পুজা অর্চনা পালন করা হয়। যা উরশ নামে পরিচিত। এই উরশের ধারনা হাদিস কোরানের কোথায় লিপিবদ্ধ আছে তা আজ পর্যন্ত কোন পীর কিংবা তাদের খেদমতধার (ম্যানেজার) দেখাতে পারেননি। ع ر س এই তিনটি অক্ষরের সমন্বয়ে গঠিত আরবী শব্দ "উরস" অর্থ হচ্ছে: বিয়ে। তথাকথিত পীর-ফকিরেরা যে দিন মারা যায়, সেদিন তাদের আত্মা নাকি দেহ থেকে "মুক্ত" হয়ে আল্লাহর সাথে গিয়ে মিলিত হয় - আল্লাহর সাথে তাদের বিয়ে বা মিলন হয় (নাউযুবিল্লাহ্!) - ব্যাপারটা highest order-এর শিরক ও কুফর! এর পর বছর বছর ঐ পীরের অনুসারীরা তার মৃত্যু দিবসকে (বা তার "বিয়ে"-র দিনকে) commemorate করতে তার "উরস" দিবস বা "ওরশ" পালন করে থাকে! (নাউযুবিল্লাহ্!)

Migrant crisis: 22 drown off Greek islands

Migrant crisis: 22 drown off Greek islands


  • om the section

Afghan migrants near coast of Lesbos, 28 Oct 15Image copyrightAP
Image captionThese Afghan migrants made it to Lesbos - but the crossing is perilous in such flimsy boats

At least 22 migrants - many of them children - have drowned trying to reach Kalymnos and Rhodes from Turkey, in the second major boat tragedy off Greek islands this week.

Thursday, 29 October 2015

মাজার আসলে কি? ১

বাংলাদেশে এখন ব্যঙ এর ছাতার মত মাজার। যেখানে সেখানে যত্রতত্র মাজার আর মাজার। এই মাজারগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠছে মদ জুয়াসহ যাবতীয় আসামাজিক কার্যকলাপের আসর। প্রচলিত মারেফাতী দল বা তরীকা পন্থির অধিকাংশই গড়ে ওঠে স্ব স্ব পীর-মাজারকে কেন্দ্র করে। বংশের মধ্যে কোন প্রকারে একজন পীর খেতাব ধারণ করতে পারলে তার ছিল্ছিলা চলে শত পুরুষ পর্যন্ত; বংশের মাজার যত বাড়ে, পরিবারের আয়-রোজগার বাড়ে তার লক্ষ-কোটি গুণ বেশি।

Wednesday, 28 October 2015

বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন: প্রধান বিচারপতি

বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন: প্রধান বিচারপতি
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা মডেল : আবহমানকাল ধরে সবকিছুই দলীয়করণ হলেও বিচার বিভাগের বিচারপতি মহোদয়গণ নির্বিঘ্নে তাদের বিচারকার্য পরিচালনা করতেন।

Tuesday, 27 October 2015

ব্রয়লার গরু ২৪ মাসেই মাংস দেবে ১ টন!

ফার্মের ব্রয়লার মুরগির চেয়েও এর মাংসের উৎপাদন ক্ষমতা বেশি হবে। দৈনিক এর শরীরে মাংস বাড়বে ৯শ গ্রাম থেকে ১ হাজার গ্রাম। প্রতি মাসে মাংস উৎপাদন হবে ২৭ থেকে ৩০ কেজি। আট-দশ বছর বয়সের দেশীয় গরুর মাংস উৎপাদন ক্ষমতা মাত্র আড়াইশ থেকে সর্বোচ্চ ৪০০ কেজি পর্যন্ত হয়। তবে মাত্র ২৪ মাস বয়সেই এ ব্রয়লার গরু ৭৩০ থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার কেজি বা এক টন মাংস উৎপাদন করতে সক্ষম হবে।
দেশে মাংসের ঘাটতি পূরণে এবার নতুন সংযোজন হচ্ছে ব্রয়লার গরু। ব্রাহমা ক্রসের মাধ্যমে সংকরায়ন করা এ ব্রয়লার গরু শুধু মাংস উৎপাদন করবে। ফার্মের ব্রয়লার মুরগির চেয়েও এর মাংসের উৎপাদন ক্ষমতা বেশি হবে। দৈনিক এর শরীরে মাংস বাড়বে ৯শ গ্রাম থেকে ১ হাজার গ্রাম। প্রতি মাসে মাংস উৎপাদন হবে ২৭ থেকে ৩০ কেজি। আট-দশ বছর বয়সের দেশীয় গরুর মাংস উৎপাদন ক্ষমতা মাত্র আড়াইশ থেকে সর্বোচ্চ ৪০০ কেজি পর্যন্ত হয়। তবে মাত্র ২৪ মাস বয়সেই এ ব্রয়লার গরু ৭৩০ থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার কেজি বা এক টন মাংস উৎপাদন করতে সক্ষম হবে।
বর্তমানে আমেরিকায় এ ব্রয়লারের ব্যাপকভিত্তিক কার্যক্রম চলছে। তবে ব্রাহমা ক্রসের আদি জাত ভারতীয় উপমহাদেশের। তাই বাংলাদেশের আবহাওয়ায়ও ব্রয়লার গরু সুস্থ ও সবলভাবে বেড়ে উঠতে সক্ষম। ইতিমধ্যে প্রকল্পের আওতায় ব্রয়লার গরুর উৎপাদনে দারুণ সাফল্য পাওয়া গেছে। পশু প্রজনন বিজ্ঞানীরা এ প্রযুক্তি নিয়ে অপার সম্ভাবনা দেখছেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এর সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে বিদ্যমান মাংসের ঘাটতি দুই থেকে তিন বছরের মধ্যেই মেটানো সম্ভব। এ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার মধ্যদিয়ে আগামী ৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ উদ্বৃত্ত মাংস রফতানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয়ও করতে পারবে। দেশে মাংস উৎপাদনকারী কোনো জাত আবিষ্কার এটিই প্রথম। সংশ্লিষ্টরা জানান, শুধু মাংস উৎপাদনকারী গরুর ভিন্ন জাত থাকতে পারে এ ধারণা আগে কারও জানা ছিল না।
প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্য বলছে, জনপ্রতি দৈনিক মাংসের চাহিদা আছে ১২০ গ্রাম। জোগান মিলছে মাত্র ৬৫ গ্রাম। ঘাটতি ৫৫ গ্রাম। আর সার্বিক হিসাবে দেশে বর্তমানে মাংসের চাহিদা আছে ৬৭ দশমিক ২০ লাখ টন। জোগান আছে মাত্র ৩৬ দশমিক ২০ লাখ টনের। এ হার শতকরা মাত্র ৫৩ ভাগ। অর্থাৎ প্রায় ৪৭ শতাংশ মাংসের ঘাটতি রয়েছে। তথ্যানুযায়ী জানা যায়, ২০১০-১১ অর্থবছরে ১৯ লাখ, ২০১১-১২ অর্থবছরে ২৩ লাখ টন এবং সর্বশেষ ২০১৩-১৪ অর্থবছরে মাংস আহরণের পরিমাণ ছিল ৪৫ লাখ ২০ হাজার টন। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত মাংস আহরণের পরিমাণ ছিল ৩৯ লাখ ৮৬ হাজার টন।
প্রাণিসম্পদ বিভাগের পশু প্রজনন কর্মকর্তারা বলছেন, আর নয় ভারতীয় গরুর ওপর নির্ভরতা। গরু চোরাচালান নিয়ে সীমান্তে পাখির মতো মানুষ হত্যার নির্মমতাও আর হজম করতে হবে না। আমরা প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়ন আশা করছি।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পশু প্রজনন বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. আজহারুল হক বলেন, ব্রয়লার গরুর উৎপাদন দেশে একটি নতুন ধারণা। জাতটি ব্রয়লার মুরগির মতোই দ্রুত বেড়ে অস্বাভাবিক মোটাতাজা হয়। তবে কোনো পশুর শরীরে কোনো ধরনের হরমোন প্রয়োগের দরকার হয় না। ক্ষতিকর রাসায়নিক হরমোনের প্রয়োগের তো প্রশ্নই আসে না। এটি অনেকটা প্রাকৃতিক ও বৈজ্ঞানিক সংমিশ্রণের একটি নতুন সংযোজন মাত্র। তবে ব্রয়লার গরু উৎপাদনের জন্য দেশীয় সুস্থ সবল একটি গাভীর প্রয়োজন হয়। ওই গাভীর গর্ভাশয়ে সিমেন বা শুক্রাণু প্রবেশ করানো হয়। এ সিমেন আমেরিকা থেকে আমদানি করা হয়। গাভী থেকে প্রসবকৃত বাছুর ব্রয়লার গরু হিসেবে পরিণত হবে। আবার এ বাছুর দেশের পরিবেশে স্বাভাবিক নিয়মেই বেড়ে উঠবে। অন্যান্য পশু যা খায় তাকে তাই খাওয়াতে হয়। তবে জন্মের প্রথম তিন থেকে ৬ মাস ভালোভাবে দুধ খেতে দিতে হবে। যেহেতু এ বাছুর জন্মের পরপরই দ্রুত শারীরিকভাবে বেড়ে উঠে এবং আকারে বড় হয়, তাই এর খাবার দিতে হয় বেশি পরিমাণে। রাখতে হয় স্বাস্থ্যসম্মত বাসস্থানে। তিনি বলেন, এ গরু শুধুই মাংস দেয়। প্রতিদিনই বাড়তে থাকে মাংস। আমেরিকার পরিবেশে এ ব্রয়লার গরুর শরীরে প্রতিদিন দেড় কেজি করে মাংস বৃদ্ধি পায়। তবে আমাদের পরিবেশে এ বৃদ্ধির হার ৯০০ গ্রাম থেকে ১০০০ গ্রাম।
বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম এ বিষয়ে বলেন, আমরা এ প্রকল্প নিয়ে অপার সম্ভাবনার স্বপ্ন বুনতেই পারি। নিজেরাই যদি মাংস উৎপাদনে স্বনির্ভর হতে পারি, তাহলে দেশে পুষ্টির সরবরাহ বাড়বে। মাংসের দামও কমে আসবে। আবার এর চামড়া ও উদ্বৃত্ত মাংস রফতানি করে দেশও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে। তবে এর জন্য সবার আগে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনতে হবে। প্রান্তিক চাষী পর্যায়ে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগগুলোরও সফল বাস্তবায়ন ঘটাতে হবে। তিনি বলেন, সরকারিভাবে একজন প্রান্তিক কৃষককে ৪টি করে বকনা পালনে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
এর জন্য মাত্র ৫ শতাংশ সুদে প্রতিটি বকনার জন্য ৪০ হাজার টাকা করে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা ঋণ দেয়ার কথা। এ ঋণের ছাড় সহজীকরণ করতে হবে। গ্রামপর্যায়ে তালিকাভুক্ত প্রত্যেক কৃষক এ ঋণ সুবিধা পেলে দেশে পশু পালনের হার বাড়বে। এছাড়া দেশীয় পদ্ধতিতে গরুকে চিটাগুড় ও মিষ্টি আলু খাইয়েও সুস্থ সবল প্রক্রিয়ায় গরু মোটাতাজাকরণ করা যায়। এর মাধ্যমে স্বনির্ভরতা অর্জন সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
বিফ ক্যাটল ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) এসএসএ সামাদ এ প্রসঙ্গে বলেন, এ ব্রয়লার গরুর মাংস খুবই স্বাস্থ্যসম্মত এবং সুস্বাদু। চর্বির পরিমাণও খুব কম।
প্রকল্পটি জনপ্রিয় ও বিস্তৃত করার উদ্যোগ রয়েছে। বর্তমানে বিফ ক্যাটল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট-এর আওতায় ১৬ হাজার গরুকে সিমেন প্রয়োগের মাধ্যমে বকনা বাছুরের জন্ম দেয়া হয়েছে। এরা খুব দ্রুত বড় হয়ে উঠছে। প্রায় প্রতিমাসে প্রকল্পের আওতায় আড়াইশ থেকে তিনশ গরুর ওপর সিমেন প্রয়োগ করা হচ্ছে।
জানা গেছে, উচ্চ শিক্ষা মানোন্নয়নে পশুপালন অনুষদের পশুবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মুজাফফর হোসেনের ব্যবস্থাপনায় বাকৃবিতে তিন বছরমেয়াদি একটি প্রকল্প রয়েছে। চাহিদা পূরণে দুধ, ডিম ও মাংস উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ ও পোলট্রির উদ্ভাবনমুখী গবেষণা করাই এর মুখ্য উদ্দেশ্য। এরই একটি উপপ্রকল্প ব্রাহমা ক্রস।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশে এখন গরুর সংখ্যা দুই কোটি ৮৬ লাখ। এর মধ্যে ১ কোটি ৭৫ লাখ গাভী। প্রাণিসম্পদ অধিদফতর ও মাংস ব্যবসায়ীদের হিসাবে, দেশে বছরে ১ কোটি ৪০ লাখের মতো গরু ও মহিষ জবাই হয়। এর ৬০ শতাংশই হয় কোরবানির ঈদে। অভ্যন্তরীণ চাহিদার শতকরা প্রায় ৯০ শতাংশ নিজস্ব উৎপাদন থেকে আসছে। তবে কোরবানির সময় এটি মোট চাহিদার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ঘাটতি থাকে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে মোট কৃষিজ জিডিপিতে প্রাণিসম্পদ উপখাতের অবদান ধরা হয়েছে ১৪ দশমিক ০৮ শতাংশ, যা ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ছিল ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আলী নূর জানান, প্রতিবছর আমিষের চাহিদা বাড়ছে। সেই সঙ্গে প্রাণিজ সম্পদের উৎপাদনও বাড়ছে। তবে চাহিদা বাড়ছে তার চেয়েও বেশি হারে। এ ঘাটতি চাহিদা পূরণে আমদানির পাশাপাশি স্থানীয়ভাবেও আরও বেশি উৎপাদন বাড়ানোর প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।
সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগেও কিংবা ব্যক্তি প্রচেষ্টায় মাংস উৎপাদন বাড়ানোর কার্যক্রম চলছে। সরকারিভাবে ইতিমধ্যে বিফ ক্যাটল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট-এর আওতায় খুব অল্প সময়ের মধ্যে বেশি পরিমাণ মাংস উৎপাদনের কাজ জোরেশোরে এগুচ্ছে। এছাড়া ব্রিড আপগ্রেডেশন থ্রু প্রজেনি টেস্ট, বাফেলো ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টসহ বিভিন্ন প্রকল্প নেয়া হয়েছে।
এসব প্রকল্প দেশের গো-মাংসের উৎপাদন বাড়াতে সক্ষম হবে। এমনকি আধুনিক বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণ করে গবাদিপশুর লালন-পালনের মাধ্যমে দেশে এর উৎপাদন বহুমাত্রায় বৃদ্ধি করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে মাংস রফতানি করা সম্ভব হবে।  

ড. ইউনূস অসুস্থ চিকিৎসাধীন যুক্তরাষ্ট্রে

শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস অসুস্থ হয়ে নিউইয়র্কে চিকিৎসা নিচ্ছেন। কোমরে প্রচ- ব্যথা অনুভূত হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত রবিবার রাতে বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা যান তিনি। সেখানে নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলেও একটি সূত্র জানিয়েছে। তবে অন্য সূত্র জানায়, নিউইয়র্কের হাসপাতালে ভর্তি হননি ড. ইউনূস। পারিবারিকভাবে তার চিকিৎসা করা হচ্ছে। ড. ইউনূসের একাধিক ঘনিষ্ঠ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ভক্তদের ভীড় এড়াতে চিকিৎসার বিষয়টি তিনি এড়িয়ে চলছেন।
এ ব্যাপারে ঢাকার বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনের দায়িত্বে থাকা সহকারী পুলিশ কমিশনার (এএসপি) বলেন, ড. ইউনূস এয়ার এমিরেটসের ইউকে-৫৮৫-এর একটি ফ্লাইটে রবিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বিমানে ওঠার সময় ড. ইউনূসকে শারীরিকভাবে খুবই দুর্বল মনে হচ্ছিল। তিনি একজনের কাঁধে ভর দিয়ে বিমানে ওঠেন।
আগামী ৪ নভেম্বর এই নোবেল বিজয়ীর জার্মানির বার্লিনে ‘সেভেন্থ গ্লোবাল সোশ্যাল বিজনেস ২০১৫’-এর পূর্ব নির্ধারিত একটি সম্মেলনে যোগদানের কথা রয়েছে। কিন্তু, হঠাৎ অসুস্থ হওয়ায় এ সম্মেলনে তার যোগদানের বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে ওই সূত্রটি জানিয়েছে।
Hey, we've just launched a new custom color Blogger template. You'll like it - https://t.co/quGl87I2PZ
Join Our Newsletter